বিশ্ব এইডস দিবস আজ। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘অসমতা দূর করি, এইডসমুক্ত বিশ্ব গড়ি’। প্রতিবারের মতো এবারও গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস থেকে দিবসটি পালন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কার্যক্রম এর মাঝে হয়েছে র্যালি ও আলোচনা সভা।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলার মান্যবর সিভিল সার্জন জনাব ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ।বিবিন্ন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ বক্ষব্যধি হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট জনাব ডা.রফিকুজ্জামান,সিভিল সার্জন অফিস এর মেডিকেল অফিসার ডা.এস এম সাকিবুর রহমান,ডা.দিবাকর বিশ্বাস ও ডা.সাদ মাহামুদ জয়।উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলার সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জনাব আরিফুল ইসলাম,জুনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জনাব আবদুল হামিদ,ডিপিএইচএন জনাবা রমা রানি ভক্ত,
জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট জনাব দিপক রঞ্জন সরকার,জেলা সিভিল সার্জন অফিস এর পরিসংখ্যানবিদ জনাব মনিরুল ইসলামসহ অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবন্দ।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন নার্সিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট সহ নার্সিং ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।সকলের উপস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দিবসটি পালন করা হয়।
১৯৮৮ সাল থেকে এইডসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বে এ দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।
এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) সংক্রমণ থেকে সৃষ্ট প্রাণঘাতী রোগ এইডস। ওয়ার্ল্ডোমিটারস এর তথ্যমতে, বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্ত রোগী ৪ কোটি ৪১ লাখ ৩৬ হাজার ১৩৪ জন। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে বিশ্বে ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। দেশে এইডস সংক্রমিত হয়েছেন ১৪ হাজার জন। তবে আক্রান্ত কম হলেও ঝুঁকি বেশি। পার্শ্ববর্তী দেশে ভারত ও মিয়ানমার এ রোগের উচ্চঝুঁকিতে।
সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মোট শনাক্ত রোগীর বড় একটি অংশ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর। সবকিছু বিবেচনায় এইচআইভির সংক্রমণ রুখতে দেশের বিমানবন্দর, নৌবন্দর ও স্থলবন্দরে স্ক্রিনিংয়ের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাণঘাতী এই রোগ প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারিভাবে যেমন উদ্যোগ নিতে হবে তেমনি নাগরিকদের মধ্যেই বাড়াতে হবে সচেতনতা। বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমার উচ্চঝুঁকির দেশ। তাদের সঙ্গে এদেশের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের নানারকম যোগাযোগ আছে। তাই জনগোষ্ঠী সচেতন না হলে এই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে না।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস